আজ বুধবার, ১৭ Jul ২০২৪, ০৭:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
«» আন্তর্জাতিক মাদকমুক্ত সম্মাননা পেলেন শিবগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আরিফ উদ্দিন «» নতুন প্রার্থী হিসেবে চমক দেখাতে চান মুসলিমা খাতুন নীতি «» প্রজাপতি প্রতীক পেয়েই ভোটের মাঠে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী শিউলী বেগম «» শিবগঞ্জে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন নুরজাহান বেগম «» ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম রাব্বানী «» শিবগঞ্জে মনোনয়ন জমা শেষ, চেয়ারম্যান ৬, ভাইস-চেয়ারম্যান ৭, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ৩ «» ভোটারদের উৎসাহেই নির্বাচনে এসেছি -ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উজ্জ্বল «» ভোটারদের উৎসাহেই নির্বাচনে এসেছি -ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উজ্জ্বল «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী «» শিবগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফুটবল টুর্নামেন্ট ও পুরস্কার বিতরণ

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৩ শ্রমিক আটক

নিউজ ডেস্ক : সোনামসজিদ স্থলবন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৩শ্রমিককে গ্রেফতার করেছে জেলা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) । গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩০), রাজ্জাক আলীর ছেলে জাকিরুল ইসলাম (২৭) এবং শাহবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘি গ্রামের তফিজুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা (২৫)। মঙ্গলবার বিকেলে তাদের গ্রেফতার করা হলেও বুধবার বিকেলে গোয়েন্দা পুলিশ তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ১২হাজার টাকা এবং পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আরও ৫০হাজার টাকাসহ পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের কয়েকটি রশিদ ও একটি নোটবুক উদ্ধার করা হয়।
বুধবার বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার এএইচএম আব্দুর রাকিব।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, সোনামসজিদ স্থলবন্দরে শ্রমিক সমন্বয় কমিটির নামে বেশ কয়েকটি গ্রুপ চাঁদবাজী করছে। এদের মধ্যে একটি গ্রুপের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বন্দরে প্রতিমাসে কয়েক কোটি টাকা চাঁদাবাজী করা হয় এবং সেই টাকা বিভিন্ন জনের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয়। তিনি বন্দরে সব ধরণের চাঁদাবাজী বন্ধ করা হবে বলেও জানান।
এদিকে ৩১টি শ্রমিক সংগঠন নিয়ে গঠিত সোনামসজিদ স্থলবন্দর শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ সাদিকুল ইসলাম চাঁদাবাজীর অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বন্দরে শ্রমিক সংগঠনের নামে কোন চাঁদা আদায় করা হয় না। শ্রমিকরা শুধু তাদের মজুরী নিয়ে থাকে। তবে ভারতীয় ড্রাইভাররা খুশি হয়ে দু’একজন শ্রমিককে বখশিস দেয় তাদের ভারতীয় টাকা পরিবর্তনের জন্য।তবে চাঁদার টাকা সহ গ্রেফতারের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গিয়ে উল্টো
চাঁদাবাজীর অভিযোগে শ্রমিকদের ধরে নিয়ে যাওয়ায় বন্দরে অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে ভীতি ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বলে দাবী করে বলেন এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দিলে বন্দরে অচলাবস্থার সৃষ্টি হতে পারে ।

আপনার মতামত দিন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :